আল্লাহ তায়ালার ৯৯ নাম ও ফযিলত
আল্লাহর ৯৯টি গুণ বাচক নাম এবং নামের অর্থ সহ ফজিলত ও
আমলের সময় ও নিয়ম সহকারে তুলেধরা হয়েছে।
বিভিন্ন হাদীস অণুসারে,
আল্লাহ’র ৯৯টি নামের একটি তালিকা আছে, কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট
ধারাবাহিক ক্রম নেই; তাই সম্মিলিত মতৈক্যের ভিত্তিতে কোনো সুনির্দিষ্ট
তালিকাও নেই। তাছাড়া কূরআন এবং হাদিসের বর্ণনা অণুসারে আল্লাহ্’র সর্বমোট
নামের সংখ্যা ৯৯-এর অধিক, প্রায় ৪,০০০। অধিকন্তু আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ
কর্তৃক বর্ণিত একটা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ্ তার কিছু নাম
মানবজাতির অজ্ঞাত রেখেছেন।
“ আল্লাহ বলে আহ্বান করো কিংবা রহমান বলে, যে নামেই আহবান করো না কেন, সব সুন্দর নাম তাঁরই। — সূরা বনী-ইসরাঈল আয়াত-১১০। ”
অনেকগুলো
হাদিস দ্বারাই প্রমাণিত যে, মুহাম্মাদ (সাঃ) আল্লাহ’র নেকগুলো নাম-এর
উল্লেখ করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, একটি বিশুদ্ধ হাদিসে হযরত আবু হোরায়রা (রাঃ)
জনাব মুহাম্মাদ (সাঃ) এর উক্তি বর্ণনা করেন যে, “ আল্লাহ তাআলার ৯৯টি
নাম আছে; সেগুলোকে মুখস্থকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে। যেহেতু আল্লাহ
তাআলা বিজোড় (অর্থাৎ, তিনি একক, এবং এক একটি বিজোড় সংখ্যা), তিনি বিজোড়
সংখ্যাকে ভালোবাসেন। আর ইবনে উমরের বর্ণনায় এসেছে যে, (শব্দগুলো হলো) “যে
ব্যক্তি সেগুলোকে পড়বে”।”কোরআনের বর্ণনায় আল্লাহ’র গুণবাচক নামসমূহকে “সুন্দরতম নামসমূহ” বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছোট
ছোট কিছু দোয়া আমল করলে অনেক নেকি হাসিল করা যায় । আমরা এসব দোয়া গুলো
একটু সময় দিলেই আমল করতে পারি এবং অনেক নেকি হাসিল করতে পারি। দোয়া চাওয়া
বা দোয়া করা মুসলিম সম্প্রদায় এর জন্য খুব জরুরি | একটা বিষয় প্রত্যেক
মুসলমানকে আল্লাহর কাছে একান্ত কিছু চাইতে হলে দোয়া করতে হয় তবে এই দোয়া
চাওয়ার কিছু নিয়ম আছে প্রত্যেকটি চাওয়ার জন্য থাকে আলাদা দোয়া, আলাদা আমল
,কারণ এক এক দোয়ার এক এক রকম ফজিলত, আমরা অনেকে জানি না কোন সময় কোন দোয়া
পড়তে হয় অথবা কোন দোয়া পড়লে কি ফজিলত হয় তাও জানি। তাই আমরা হয় তো দোয়া করেও
আমাদের চাওয়াটা পাই না আবার এরুপ ও হাদিসে বর্ননা আছে যে আমরা আল্লালাহর
কাছে যা চাই তা আল্লাহ তার পরিবর্তে আমাদের সেই সমান কোন বিপদ থেকে মুক্তি
দেন বা যা চাই তা আখেরাতের জন্য বরাদ্দ করেন যাই হোক আল্লাহ তা'আলা সুমহান
তিনি পরম দয়ালু আল্লাহর দরবারে দু"হাত দিলে কোন কিছু চাইলে আল্লহ নারাজ করেন
না।
No comments:
Post a Comment